শেয়ার বাজার মিউচুয়াল ফান্ড পোস্ট অফিস স্কিম ব্যাঙ্ক স্কিম ক্রেডিট কার্ড ডিমেট অ্যাকাউন্ট ইন্সুরেন্স সমস্ত FD ক্যালকুলেটর

বালিকা সমৃদ্ধি যোজনা! কন্যা সন্তান থাকলে প্রতিবছর পাবেন ১০০০ টাকা, কেন্দ্র সরকারের দুর্দান্ত স্কিম

Photo of author

By Anjan Mahata

গ্রুপে যুক্ত হনচ্যানেলে যুক্ত হন

বালিকা সমৃদ্ধি যোজনা: আজও আমাদের দেশে কন্যা সন্তানের ভ্রূণ নষ্ট করা থেকে শুরু করে কন্যা সন্তানের জন্মের পর তার প্রতি অবহেলার শেষ নেই। অনেক ক্ষেত্রেই ভারতে আজও কন্যা সন্তান অবহেলিত। তাই তাদের সুরক্ষার দায়িত্ব সরকারের। কন্যা সন্তান যাতে সুরক্ষিত থাকে এবং কন্যারাও যাতে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারে, সে জন্য দেশ জুড়ে ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ কর্মসূচির মাধ্যমে একাধিক প্রকল্প এনেছে কেন্দ্র থেকে শুরু করে রাজ্য সরকার। সেটা প্রধানমন্ত্রী সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা হোক কিংবা কন্যাশ্রী প্রকল্প। কন্যা সন্তানের জন্য ডিজাইন করা কেন্দ্রের আরো একটি প্রকল্প হলো বালিকা সমৃদ্ধি যোজনা। প্রতিবেদন থেকে এই প্রকল্পের খুঁটিনা‌টি তথ্য সম্পর্কে জেনে নিন।

বালিকা সমৃদ্ধি যোজনা কী?

কন্যা সন্তানের সুরক্ষায় কেন্দ্র সরকারের অধীনে যে সব প্রকল্প রয়েছে তার মধ্যে জনপ্রিয় প্রকল্প হলো বালিকা সমৃদ্ধি যোজনা। ১৯৯৭ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের নারী এবং শিশু উন্নয়ন পরিষদ এই প্রকল্পের সূচনা করেছিল। এই প্রকল্প কন্যা সন্তানদের শিক্ষা থেকে শুরু করে বিয়ে সুনিশ্চিত করে। কন্যা সন্তানের জন্মের পর থেকেই এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যায়।

বালিকা সমৃদ্ধি যোজনার সুবিধাগুলো কী?

কন্যা সন্তান পেটে ধরলে গর্ভবতী মহিলাকে এই প্রকল্পের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হবে। এরপর কন্যা সন্তানের জন্ম দিল ৫০০ টাকা অনুদান দেওয়া হবে। তারপর কন্যা সন্তানর শিক্ষার জন্য ধাপে ধাপে প্রতি বছর টাকা দেওয়া হবে। কন্যা সন্তান প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ার সময় ৩০০ টাকা, চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ার সময় ৫০০ টাকা, পঞ্চম শ্রেণীতে ৫০০ টাকা, ষষ্ঠও সপ্তম শ্রেণীতে পড়ার সময় ৭০০ টাকা, অষ্টম শ্রেণীতে ৮০০ টাকা, নবম ও দশম শ্রেণীতে ১০০০ টাকা দেওয়া হবে। তবে এই অর্থ কন্যার ১৮ বছর বয়সের পরই পাওয়া যাবে। তবে তার আগে কন্যার বিয়ে হয়ে গেলে জন্মের পর ৫০০ টাকা অনুদানের অর্থ ছাড়া আর কোনো অর্থ পাওয়া যাবে না।

বালিকা সমৃদ্ধি যোজনায় কারা নাম লেখাতে পারবে?

নারী শিক্ষা বা দেশের মেয়েদের শিক্ষার প্রসারের জন্য বালিকা সমৃদ্ধি দ্বারা অর্থ দিয়ে সাহায্য করা হয়। তবে সকল কন্যা সন্তান এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। কেবল মাত্র দারিদ্র সীমার নীচে থাকা পরিবারের মেয়েদের এই প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হবে। এই প্রকল্পের সুবিধা নেওয়ার জন্য অবশ্যই BPL অন্তর্ভুক্ত হতে হবে। তবে পরিবারের সর্বোচ্চ দুই জন মেয়েই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবে।

মিস করবেন না » LIC কন্যাদান পলিসি: ১২০ টাকা বিনিয়োগ করে মেয়ের বিয়েতে পাবেন ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা, LIC এর দুর্দান্ত পলিসি

বালিকা সমৃদ্ধি যোজনায় কীভাবে আবেদন করবেন?

অফলাইন এবং অনলাইন এই দুই ভাবেই এই প্রকল্পে আবেদন করা যায়। অনলাইনে আবেদন করার জন্য সে কোনো সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে আবেদন করতে পারেন। অন্যদিকে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা কেন্দ্র থেকে অফলাইনে আবেদন করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে আবেদন পত্র তুলে সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণ করে ওই দপ্তরেই জমা জমা করতে হবে। সঙ্গে দিতে হবে প্রয়োজনীয় নথি, যা নিম্নে উল্লেখ করা হয়েছে। গ্রাম ও শহরের জন্য আলাদা আলাদা ফর্ম রয়েছে।

বালিকা সমৃদ্ধি যোজনায় আবেদনের প্রয়োজনীয় নথি কী লাগবে?

  • ■ কন্যার জন্ম সার্টিফিকেট।
  • ■ পরিচয় পত্র হিসাবে আধার কার্ড।
  • ■ পিতামাতার পরিচয় পত্র।
  • ■ ডোমেসিয়াল সার্টিফিকেট।
  • ■ প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি হওয়ার রশিদ।

উল্লেখ্য, এই প্রকল্পে আবেদন করার জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই। আপনার কন্যা সন্তান প্রথম শ্রেণীতে ভর্তির পর থেকে সাবালিকা হওয়া পর্যন্ত যে কোনো সময়ে এই প্রকল্পে আবেদন করা যাবে।

অবশ্যই পড়ুন » সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা! কন্যা সন্তান থাকলেই পাবেন ১০ লক্ষ টাকা, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা এবং আবেদন পদ্ধতি

এই ধরনের অর্থনীতি সম্পর্কিত তথ্য সহজ বাংলা ভাষায় পেতে আমাদের সঙ্গে যুক্ত থাকুন 👇

আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপJoin Us
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলFollow Us
আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলJoin Us
আমাদের ফেসবুক পেজFollow Us
Google নিউজে ফলো করুনFollow Us

3 thoughts on “বালিকা সমৃদ্ধি যোজনা! কন্যা সন্তান থাকলে প্রতিবছর পাবেন ১০০০ টাকা, কেন্দ্র সরকারের দুর্দান্ত স্কিম”

Leave a Comment