শেয়ার বাজার মিউচুয়াল ফান্ড পোস্ট অফিস স্কিম ব্যাঙ্ক স্কিম ক্রেডিট কার্ড ডিমেট অ্যাকাউন্ট ইন্সুরেন্স সমস্ত FD ক্যালকুলেটর

আপনি কি LIC তে টাকা জমা করেছেন? তাহলে অবশ্যই জেনে নিন LIC আপনার জমানো টাকা দিয়ে কি করে?

Photo of author

By Anjan Mahata

গ্রুপে যুক্ত হনচ্যানেলে যুক্ত হন

প্রায় প্রতিটি মানুষই চান নিজের ভবিষ্যতের আর্থিক সমৃদ্ধি বজায় রাখার জন্য নির্দিষ্ট কোন একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানে অর্থ বিনিয়োগ করে রাখতে। এক্ষেত্রে অনেকেই যেমন ব্যাংক এবং পোস্ট অফিসের উপর নির্ভর করেন, ঠিক তেমনি অনেকে আবার বিভিন্ন বীমা সংস্থায় বিনিয়োগ করে রাখতে চান। বর্তমানে ভারতের সরকারিভাবে পরিচালিত বৃহত্তম বীমা সংস্থা হল এলআইসি। এলআইসি বা ভারতীয় জীবন বীমা নিগম সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষদের সুবিধার্থে বিভিন্ন ধরনের পলিসি চালু করে রেখেছে।

এলআইসিতে গ্রাহকরা নিজের পছন্দ অনুযায়ী স্কিমে নির্দিষ্ট সময় ধরে অর্থ বিনিয়োগ করার পর মেয়াদ শেষে মোটা টাকা রিটার্ন হিসাবে পান। ভারতীয় জীবন বীমা নিগমের মাধ্যমে অনেকে যেমন বিভিন্ন বীমা পরিকল্পনা ক্রয় করেন ঠিক তেমনি বহু গ্রাহক আবার শেয়ারে অর্থ বিনিয়োগ করেন। কিন্তু অনেকের মনে প্রশ্ন তৈরি হয় যে বিপুল পরিমাণ গ্রাহকের অর্থ এলআইসি নামক সংস্থাটিতে জমা করা হয়, সেই অর্থ গুলি আসলে কি হয়? কিভাবে এই বীমা সংস্থা গ্রাহকদের মেয়াদ শেষে অতিরিক্ত টাকা রিটার্ন দেয়? আজ এই সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আপনাদের জানাবো এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে।

অবশ্যই পড়ুন » SBI Life Grameen Bima: SBI লাইফ গ্রামীন বীমা! ৩০০ টাকার ইন্সুরেন্স প্ল্যানে পরিবারকে সুরক্ষিত করুন।

বিশেষ সূত্র মারফত জানা যায় এলআইসিতে গ্রাহকদের বিনিয়োগ করা ৬৭ শতাংশ টাকা সংস্থার তরফ থেকে বন্ডে বিনিয়োগ করা হয়। শুধু তাই নয় বিভিন্ন ধরনের সম্পত্তির খাতে ১ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে এলআইসি। বাকি পরিমাণ অর্থগুলি বিভিন্ন মিউচুয়াল ফান্ড, সহায়ক সংস্থা এবং অন্যান্য ঋণ সিকিউরিটিতে বিনিয়োগ করে রাখে এই বীমা সংস্থাটি। এবং এইসব বিনিয়োগ গুলির কারণে এই সংস্থাটি তার গ্রাহকদের অতিরিক্ত অর্থ রিটার্ন হিসেবে দিতে পারে।

বর্তমান হিসাব অনুসারে এলআইসিতে মোট এক লক্ষের বেশি কর্মচারী এবং ১৩ লক্ষ এজেন্ট আছেন। ভারতের সর্ববৃহৎ এই বীমা সংস্থায় এনডাউমেন্ট, টার্ম ইন্স্যুরেন্স, চিলড্রেন, পেনশন, মাইক্রো ইন্স্যুরেন্স ইত্যাদি মিলিয়ে মোট ২৮-২৯ কোটি টাকার পলিসি রয়েছে। এলআইসি তার বিনিয়োগ প্রকল্পগুলির জন্য গ্রাহকদের দুটি অপশন দেয়। একটি হলো ফ্লেক্সি গ্রোথ ফান্ড এবং অপরটি ফ্লেক্সি স্মার্ট গ্রোথ ফান্ড। ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বরের হিসেবে শেয়ারবাজারে এই বীমা সংস্থার শেয়ারের পরিমাণ ছিল ৫৮.৯ শতাংশ, তারও এক বছর আগে এই পরিমাণটি ছিল ৬৫.৪ শতাংশ৷ সরকারি ভাবে পরিচালিত এই বীমা সংস্থা সাধারণ গ্রাহকদের সুরক্ষিত সুরক্ষিত বিনিয়োগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

অবশ্যই পড়ুন » SBI Scheme: স্টেট ব্যাংকের টাকা ডবল করা স্কিম! স্কিমটি সম্পর্কে অবশ্যই জানা দরকার

এই ধরনের অর্থনীতি সম্পর্কিত তথ্য সহজ বাংলা ভাষায় পেতে আমাদের সঙ্গে যুক্ত থাকুন 👇

আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপJoin Us
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলFollow Us
আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলJoin Us
আমাদের ফেসবুক পেজFollow Us
Google নিউজে ফলো করুনFollow Us